মৃত্তিকা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক সামাজিক সংগঠন যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও মানবিক সহায়তা নিয়ে কাজ করে। আমরা বিশ্বাস করি সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের উন্নয়নেই জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নিহিত।
সমাজের দরিদ্র, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। আমরা চাই প্রতিটি মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পাক, যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।
আপনিও হতে পারেন মৃত্তিকা ফাউন্ডেশনের অংশ - স্বেচ্ছাসেবক হোন বা অনুদান দিন। আপনার একটুখানি সহায়তায় বদলে যেতে পারে অনেক জীবন। আমাদের সাথে যোগ দিন সামাজিক উন্নয়নের এই যাত্রায়।
দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলম, ব্যাগ ও ইউনিফর্ম প্রদান করে তাদের স্কুলমুখী করতে কাজ করি।
শিক্ষার গুরুত্ব, শিশু অধিকার ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ও কার্যক্রম পরিচালনা করি।
গ্রামে নিয়মিত স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন করে সাধারণ রোগ পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করি।
স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ, হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাই।
ভাঙাচোরা গ্রামীণ রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে চলাচল সহজ ও নিরাপদ করতে স্বেচ্ছাশ্রম ও তহবিল সংগ্রহ করি।
সোলার লাইট, পথবাতি, বসার স্থান ও প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নত করি।
অসহায় পরিবারকে খাদ্য, শীতবস্ত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করি।
বন্যা, ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াই।
স্থানীয় মানুষের সমস্যা ও প্রয়োজন সরেজমিনে যাচাই করা হয়।
প্রতিটি কার্যক্রম কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে শুরু হয়।
স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হয়।
ছবি, ভিডিও ও ব্যয়ের রশিদ সংরক্ষণ করা হয়।
কার্যক্রম শেষে ফলাফল মূল্যায়ন করা হয়।
পরিবার সহায়তা
শিক্ষার্থী উপকৃত
স্বাস্থ্য ক্যাম্প
প্রকল্প সম্পন্ন
শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের পড়াশোনার আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক উদ্যোগের ফলে মানুষ পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি ও রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠছে।
গ্রামীণ রাস্তা, আলো ও পরিকাঠামো উন্নয়নের ফলে মানুষের দৈনন্দিন চলাচল সহজ হচ্ছে এবং পরিবেশ আরও নিরাপদ হয়ে উঠছে।
মানবিক সহায়তার উদ্যোগ মানুষের সংকটময় সময়ে পাশে থাকার সুযোগ সৃষ্টি করছে এবং সামাজিক সহযোগিতার মানসিকতা জোরদার করছে।