আমাদের সম্পর্কে

মৃত্তিকা ফাউন্ডেশন একটি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাজ করে।

আমাদের লক্ষ্য

মৃত্তিকা ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য দায়িত্বশীল ও মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে টেকসই সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা।

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মৃত্তিকা ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে—টেকসই পরিবর্তন আসে মানুষের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল কাজের মাধ্যমে।

আমাদের মূল্যবোধ

আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম নির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যা আমাদের কাজকে দায়িত্বশীল ও বিশ্বাসযোগ্য রাখে।

আমাদের প্রধান কার্যক্রম

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে আমরা দাঁড়াই।

শিক্ষা ও সচেতনতা

স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন

রাস্তা, আলো ও পরিকাঠামো উন্নয়ন

মানবিক সহায়তা

আমরা কীভাবে কাজ করি

আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম সুপরিকল্পনা, বাস্তব চাহিদা মূল্যায়ন এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই ধাপে ধাপে কাজের পদ্ধতিই আমাদের উদ্যোগগুলোকে কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
গ্রামীণ বাংলাদেশের শিক্ষা
বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন

পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি প্রক্রিয়া

প্রতিটি কার্যক্রম শুরু হয় সুপরিকল্পিত প্রস্তুতির মাধ্যমে। বছরের শুরুতে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয় এবং তা মাসভিত্তিক কর্মসূচিতে ভাগ করা হয়। এই পরিকল্পনায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা ও অবকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত সম্ভাব্য প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত থাকে। জরুরি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সভার মাধ্যমে নতুন কার্যক্রম যুক্ত করা হয়, যাতে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।

চাহিদা বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ

পরিকল্পনার পর স্থানীয় জনগণের প্রকৃত চাহিদা যাচাই করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শন, মতামত সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। এরপর একটি প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করে তা কার্যনির্বাহী কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়। কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে নেওয়া হয় না।

বাস্তবায়ন, তদারকি ও স্বচ্ছতা

অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়। প্রতিটি প্রকল্পে নির্দিষ্ট সমন্বয়কারী ও স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করে। অর্থ ব্যবস্থাপনা, মাঠ পর্যায়ের কাজ, প্রচার এবং ফলাফল মূল্যায়ন—সবকিছু স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হয়। প্রকল্প শেষে রিপোর্ট ও ডকুমেন্টেশন সংরক্ষণ করা হয়, যাতে জবাবদিহি নিশ্চিত থাকে।